Oct 13, 2010

My Computer এ কন্ট্রোল প্যানেল প্রদর্শন করা

My Computer সাধারণত বিভিন্ন ড্রাইভ ও ডকুমেন্টস থাকে। যেমন- ফ্লপি ড্রাইভ, সিডি বা ডিভিডি ড্রাইভ, ফ্লাশ ড্রাইভ, সি ড্রাইভ, ডি ড্রাইভ, শেয়ার্ড ডকুমেন্টস ইত্যাদি। আপনি ইচ্ছে করলে এখানে কন্ট্রোল প্যানেল প্রদর্শিত করতে পারেন। এজন্য প্রথমে মাই কম্পিউটার ওপেন করুন। এরপর Tools মেনু থেকে Folder Options ক্লিক করুন। প্রাপ্ত ডায়ালগ বক্স থেকে View ট্যাবে ক্লিক করুন। Advanced settings সেকশনের নিচে Show Control Panel in My Computer অপশনটি চেক করে দিন (স্ক্রোলিং করে একেবারে নিচে নামুন)। এবার OK বাটনে ক্লিক করুন।

স্টার্ট মেনুতে কন্ট্রোল প্যানেলের অপশনসমূহ সাবমেনু হিসেবে প্রদর্শন করা

কন্ট্রোল প্যানেলে কোন পরিবর্তন করতে হলে আমরা সাধারণত স্টার্ট থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে ক্লিক করি, কন্ট্রোল প্যানেল লোড হওয়ার জন্য অপেক্ষা করি, এরপর কাঙ্খিত অপশনটি বাছাই করি। কিন্তু যারা প্রায়ই কন্ট্রোল প্যানেলে পরিবর্তন করে থাকেন তাদের জন্য উক্ত পদ্ধতিটি বিরক্তিকর হতে পারে। আপনি বরং কন্ট্রোল প্যানেলের অপশনসমূহ স্টার্ট মেনুতে All Programs এর ন্যায় সাবমেনু হিসেবে প্রদর্শিত করে রাখতে পারেন। এতে করে আপনি কন্ট্রোল প্যানেলের যে কোন অপশন সহজেই এক্সেস করতে পারবেন।

এজন্য টাস্কবারের যে কোন খালি জায়গায় রাইট ক্লিক করে Properties ক্লিক করুন। প্রাপ্ত ডায়ালগ বক্স থেকে Start Menu ট্যাবে ক্লিক করুন। Start menu রেডিও বাটনটি সিলেক্ট করে Customize বাটনে ক্লিক করুন। প্রাপ্ত ডায়ালগ বক্স থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন। Start menu items: এর নিচের Control Panel এর তিনটি রেডিও বাটন থেকে Display as a menu সিলেক্ট করে দিন। এবার OK বাটনে ক্লিক করুন। আবার OK বাটনে ক্লিক করুন। এবার আপনি স্টার্ট থেকে কন্ট্রোল প্যানেলের অপশনসমূহ সহজেই এক্সেস করতে পারবেন।

জেনে নিন :: কন্ট্রোল প্যানেল

আইটি ডেস্ক :: উইন্ডোজের গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসকে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য মূলত কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে নতুন হার্ডওয়্যার ইন্সটল করা, সফটওয়্যার ইন্সটল ও রিমুভ করা ছাড়াও ভিন্ন ভিন্ন ইউজার তৈরি করা হয়ে থাকে।

সাধারণত উইন্ডোজ এক্সপি’তে দুই ধরনের ভিউ-তে কন্ট্রোল প্যানেল দেখা যায়। ক্ল্যাসিক্যাল ভিউ ও ক্যাটাগরি ভিউ। সাধারণত ডেস্কটপে গিয়ে রাইট বাটনে ক্লিক করে প্রপার্টিস-এ আমরা বিভিন্ন পরিবর্তন করি। মূলত এই কাজটিও কন্ট্রোল প্যানেলের অন্তর্গত। এমন অনেক কাজই আছে কন্ট্রোল প্যানেলের ভিতরে।

ল্যাপটপ টিপস

কিছু নিয়ম মেনে চললে ল্যাপটপের পারফরমেন্স ভালো হয়।
-ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারি থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারি আয়ু কমে যাবে।
-ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
-মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।
-ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
-দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
-হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র‌্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
-এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
-শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
-ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।
-হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।
-অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
-মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram
নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।

-আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।

Oct 12, 2010

দুই বছরের জন্য ডোমেইন একদম ফ্রি

আজ আপনাদের এমন একটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেখান থেকে আপনি একটি ফ্রি ডোমেইন পাবেন ২ বছরের জন্য এখানে আপনারা সকল সুবিধাসহ পুরো দুই (২) বছরের জন্য ফ্রি ডোমেইন নিতে পারবেন একটি আই পি থেকে শুধুমাত্র একটি একাউন্ট করতে পারবেন এবং একটি একাউন্ট থেকে সর্ব্বোচ পাঁচটি ডোমেইন রেজিষ্ট্রশন করতে পারবেন ডোমেইন পেতে এখানে প্রবেশ করুন

মহাকাশ সম্পর্কে জানুন

কম্পিউটার, ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে মহাকাশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা সম্ভব

আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি বছর উপলক্ষে গিগাগ্যালাক্সি (www.gigagalaxyzoom.org) ঠিকানার একটি ওয়েবসাইটে মহাবিশ্বের তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছেআমাদের সৌরজগত্ যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার ছবি, পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় এমন ১৫টি অংশের আলাদা বর্ণনা এবং উচ্চ রেজুলেশনের ছবি দেওয়া হয়েছেসমতলভাবে না দেখে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে www.sergebrunier.com/gallerie/pleinciel/360.swf ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাবে এসব ছবি

Stellarium (www.stellarium.org) একটি মুক্ত সফটওয়্যার, যেটি দিয়ে মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহ-নক্ষত্র দেখা যাবেসফটওয়্যারটি চালু করার পর প্রথমে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্দিষ্ট করে দিতে হয়ওই অবস্থান থেকে আকাশের কোনো দিকে তাকালে আকাশে সেই সময়ে যে নক্ষত্রগুলো থাকবে, সেটি দেখা যাবেএবং এখানে প্রায় প্রতিটি নক্ষত্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অধিকাংশেরই কিছুটা বর্ণনা দেওয়া হয়েছেআবার চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবীর অবস্থান কেমন থাকে, সেটিও জানা যাবে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমেশুধু আকাশ দেখাই নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যার থেকে

Celestia (www.shatters.net) মহাকাশ দেখার আরও একটি সফটওয়্যারঅন্য সব সফটওয়্যারই পৃথিবী থেকে মহাকাশ কেমন দেখা যাবে সেটি দেখায়, তবে এখানে মহাকাশ থেকে এর অন্য অংশ কেমন দেখাবে, সেটি জানা যাবেসফটওয়্যারের মেনুতে বিভিন্ন গ্রহ ভ্রমণ করে দেখার অপশন যুক্ত হয়েছে http://www.celestiamotherlode.net ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে এই সফটওয়্যারটির সঙ্গে ব্যবহার উপযোগী বেশ কিছু প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে
সফটওয়্যার ছাড়াও ইন্টারনেট থেকে অ্যাস্ট্রোনমি সম্পর্কে বেশ কিছু
ওয়েবসাইট রয়েছেনাসা প্রতিদিন মহাকাশবিষয়ক একটি করে ছবি এবং সেটির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রকাশ করে থাকেএসব ছবি দেখা বা নামিয়ে নেওয়া যাবে www.apod.nasa.gov/apod/archivepix.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে

মহাকাশ বিষয়ক নানা তথ্যনিয়ে গুগলের ওয়েবসাইট হচ্ছে www.google.com/skyসৌরজগত্, গ্যালাক্সি এবং বিভিন্ন সময় ধারণ করা মহাজাগতিক ঘটনার ছবি দেখা যাবে এখানে
আর মহাবিশ্বের সব ধরনের খবর নিয়ে তৈরি আছে ইন্টারনেটের মুক্ত বিশ্বকোষ
উইকিপিডিয়াঅ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে উইকিপিডিয়ায় একটি পোর্টাল তৈরি করা আছে ওয়েব পোর্টালটির ঠিকানা http://en.wikipedia.org/wiki/Portal:Astronomy

তথ্যসুত্র: প্রথম আলো

Oct 11, 2010

সফটওয়্যার ছাড়া ডাটা উদ্ধার

আমরা সবাই বিভিন্ন সময় না বুঝে অথবা বুঝে কম্পিউটার হতে নানা ফাইল মুছে ফেলি অথবা বুঝে অথবা না বুঝে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টল করে খাকি। যার কারণে পরবতীতে আমাদেরকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই এবং ঐ সব সফটওয়্যারকে রিমোভও করা যায় না। এই মূহুর্তে আমরা যদি কম্পিউটার বিষয়ে খুব বেশী একটা না জানি তাহলে চলে যাই কোনো কম্পিউটার ইনজ্ঞিনিয়ারের কাছে নিয়ে যাই। আর যাদের মোটামোটি ভাল জ্ঞান আছে তারা বসে পরি উইন্ডোজ সফটওয়্যারটি আবার ইনস্টল করার জন্য। কিন্তু আমরা কী জানি একবার উইন্ডোজ ইনস্টল করলে Hard Disk এ কতটুকু চাপ পড়ে।

আমরা অনেকেই Computer System Restore সমন্ধে জানি আবার অনেকেই জানি না। যারা এটি জানে তারাও ঠিক মত জানে না যে এর সাহায্যে সিস্টেম সংক্রান্ত হারানো ফাইল ফিরে পাওয়া সম্ভব।

এখন হল আসল কথা। Computer System Restore কী? সাধারণত কম্পিউটারের সেটিং প্রতিনিয়ত পরিবতন হয়। আর কম্পিউটার এই পরিবতনগুলো লিখে রাখে। এখানে লেখা তাকে কী পরিবতন হয়েছে, পরিবতনের আগে কী ছিল ইত্যাদি। আর System Restore ঐ লিখা গুলো পড়ে এবং কম্পিউটারকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসে।

সিস্টেম রিস্টর কিভাবে করবেন? সিস্টেম রিস্টর করতে হলে প্রথমেই আপনাকে সিস্টেম রিস্টর সেটিংকে অন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে প্রথমে মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করতে হবে এবং Properties এ ক্লিক করতে হবে। তারপর System Restore ট্যাব এ যেতে হবে। সেখানে দেখতে পাবেন Turn off System Restore of all drive এবং তাতে টিক চিহ্ন দেওয়া এই টিক চিহ্নটি উটিয়ে দিতে হবে বেস কাজ হয়ে গেল। আসা করি এই বিষয় বুঝতে আর কোনো সমস্যা নেই।

কম্পিউটার নিজে নিজেই মূলত পরিবতনগুলোকে লিখে রাখে। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন পরিবতন লিখে না। তাই আপনি কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট তৈরী করে রাখতে পারেন। তাহলে পরবতিতে যদি এই ইনস্টল করা সফটওয়্যারটি সমস্যা করে তখন সিস্টেম রিস্টর ব্যবহার করে আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারবেন। অথবা আপনি যখন মনে করবেন আপনার কম্পিউটারটি একটি ভাল অবস্থানে আছে তখনও আপনি চাইলে সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট করতে পারেন। এবং যখন খুশী আগের স্থানে যেতে পারবেন। সিস্টেম রিস্টর পয়েন্ট করার জন্য প্রথমে সিস্টেম রিস্টর প্রোগ্রামটি চালু করুন। এর জন্য Start Button এ ক্লিক করুন। তারপর Program Files—Accessories–System Tools এ যান। এবং সবশেষে System Restore এ ক্লিক করুন। তখন System Restore প্রোগ্রামটি হাজির হবে। এখন কোনো রিস্টর পয়েন্ট তৈরী করার জন্য Create a restore point এ ক্লিক করুন এবং Next এ ক্লিক করুন। তারপর পয়েন্ট এর নাম দিন এবং যথাযথ কাজগুলো করুন। এভাবে আপনি সহজেই System Restore Point তৈরী করতে পারবেন।

এখন প্রশ্ন হল System Restore কিভাবে করবেন। এর জন্য প্রথমে System Restore চালু করুন। এবং System Restore সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন। এবং রিস্টর পয়েন্ট সিলেক্ট করুন। এবং আবার Next এ ক্লিক করুন। তখন যথাযত কাজগুলো করুন। এখন কম্পিউটারটি রিস্টারট হবে এবং System Restore এর কাজ সম্পূন্ন হবে।

সমরেশ মজুমদারের ৩৩ টি বই

সমরেশ মজুমদার বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক। তাঁর অনেক রচনাতেই উত্তরবঙ্গের কথা ঘুরে ফিরে আসে । তিনি বেশ কিছু সফল টিভি সিরিয়ালের কাহিনীকার । তাঁর সৃষ্ট একটি গোয়েন্দা চরিত্র অর্জুন । উত্তরাধিকার, কালবেলা এবং কালপুরুষ তাঁর একটি উপন্যাস ত্রয়ী । তাঁর সমসাময়িক অন্য লেখকদের নিয়ে লেখা তাঁর বই কইতে কথা বাধে । তিনি প্রায় শতাধিক বই লিখেছেন।
আমার সংগ্রহে সমরেশ মজুমদারের ৩৩টি বই আছে। তাহলে দেরী না করে এখনি ডাউনলোড করুন এখান থেকে http://www.banglabooks.tk/2010/05/downl … books.html