Jun 22, 2010
Run কমান্ডের ১১০ ব্যবহার বাংলায় দেখুন…
উইন্ডোজ এক্সপির যেকোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে চান.? তখন রান বক্সের ভিতর নিন্মোক্ত কমান্ডগুলো প্রয়োগ করতে পারেন।
runcmd1 Run কমান্ডের ১১০ ব্যবহার বাংলায় দেখুন... |
একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl
একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz
এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl
এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl
এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools
অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl
ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt
ক্যালকুলেটর – calc
সার্টিফিকেটস – certmgr.msc
ক্যারেকটার ম্যাপ – charmap
চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk
ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার – clipbrd
কমান্ড প্রোম্পট – cmd
কম্পোনেন্ট সার্ভিস – dcomcnfg
কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc
কন্ট্রোল প্যানেল – control
ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2
ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl
ডি.ডি.ই শেয়ার্স – ddeshare
ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc
ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag
ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr
ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc
ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc
ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – desk.cpl
ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ – drwtsn32
ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier
ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc
ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল – migwiz
ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল – sigverif
ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl
ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders
ফন্টস – control fonts
ফন্টস ফোল্ডার – fonts
গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl
গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc
হেল্প এন্ড সাপোর্ট – helpctr
হাইপারটার্মিনাল – hypertrm
আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress
ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc
ইন্টারনেট কানেক্শন উইজার্ড – icwconn1
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore
ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl
কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard
লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc
লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস – lusrmgr.msc
উইন্ডোজ লগঅফ – logoff
মাইক্রোসফট চ্যাট – winchat
মাইক্রোসফট মুভি মেকার – moviemk
এমএস পেইন্ট – mspaint
মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল – mobsync
মাউস প্রোপার্টিস -control mouse
মাউস প্রোপার্টিস – main.cpl
নেট মিটিং – conf
নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections
নেটওয়ার্ক কানেকশনস – ncpa.cpl
নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl
নোটপ্যাড – notepad
অবজেক্ট পেজ মেকার – packager
ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl
অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk
আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn
এমএস পেইন্ট – pbrush
পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl
পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc
পারফরমেন্স মনিটর – perfmon
ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl
ফোন ডায়ালার – dialer
পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl
প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers
প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers
রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl
রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit
রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32
রিমোট একসেস ফোনবুক – rasphone
রিমোট ডেক্সটপ – mstsc
রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc
রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc
রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি – rsop.msc
স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl
শিডিউল টাস্ক – control schedtasks
সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl
সার্ভিসেস – services.msc
শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc
উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা – shutdown
সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl
সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit
সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig
সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32
সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl
টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr
টিসিপি টেষ্টার – tcptest
টেলনেট ক্লাইন্ট – telnet
ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার – nusrmgr.cpl
ইউটিলিটি ম্যানেজার – utilman
উইন্ডোজ এড্রেস বুক – wab
উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি – wabmig
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার – explorer
উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল – firewall.cpl
উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify
উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc
উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer
উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার – msmsgs
উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস – syskey
আপডেট লাঞ্চ – wupdmgr
উইন্ডোজ ভার্সন – winver
উইন্ডোজ এক্সপি টুর – tourstart
ওয়ার্ড প্যাড – write
Microsoft Office এ তৈরী করুন বারকোড
আমরা বারকোড তৈরী করার জন্য অনেক রকম সফ্টওয়্যার ব্যবহার করি। অনেকে বিভিন্ন সাইট থেকে অনলাইনে বারকোড তৈরী করে কিন্তু এই সুবিধা এখন Microsoft Office এর মধ্যে। দুই ভাবে বারকোড তৈরী করা যায়,
১ম নিয়ম:
Microsoft Office এর একটি Add-Ins ডাউনলোড করে Install করতে হবে। Install করার পর আপনার অফিস প্রোগ্রাম এর মধ্যে Add-Ins নামক একটি মেনু যোগ হবে, যার মাধ্যমে আপনি বারকোড তৈরী করতে এবং প্রিন্ট করতে পারবেন। এই ধরনের দুটো Add-Ins হল, BarCodeWiz Barcode Control এবং Barcode Generator for Microsoft Office। মনে রাখতে হবে এগুলো ফ্রী নয়, আপনাকে ক্রয় করতে হবে, সে জন্য বারকোড তৈরী করলে এর মধ্যে DEMO লেখা থাকবে। তবে ক্রয়কৃত টিতে DEMO লেখা থাকবে না।
২য় নিয়ম:
নিচের লিংক থেকে বারকোড ফন্ট ডাউনলোড করে Control Panal এর Fonts এর মধ্যে পেষ্ট করে দিন, এবং মাইক্রোসফ্ট অফিস এর যে কোন প্রোগ্রামে এ ফন্ট সিলেক্ট করে বার কোড লিখতে পারেন।
Hotfile
Start Menu -র গতি বাড়ান !
নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন:
- রান কমান্ডের সাহয্যে regedit (Regedit.exe).-এ জান। এর জন্য আপনি রান কমানে regedit লিখে এন্টার করতে পারেন অথবা সিসটেম ফাইল থেকে Regedit.exe তে ডাবল ক্লিক করুন।
- নিচের ঠিকানায় যান HKEY_CURRENT_USER/Control Panel/Desktop/ অর্র্থৱ প্রথমে HKEY_CURRENT_USER তে যান তারপর Control Panel তে এবং Desktop এ যান।
- “MenuShowDelay” এর Value ০ করুন।
- রিস্ট্রাট দিন।
এছাড়াও সহজেই Menu shadow বন্ধ করে Start Menu এর গতি বৃদ্ধি করতে পারে।
- ডেক্সটপের যেকোন জায়গায় রাইট ক্লিক করুন।
- Properties যান।
- Appearance tab এ ক্লিক করুন।
- Effects button -এ ক্লিক করুন।
- Show shadows under menus আনচেক করুন।
যদি “Turn Off Computer” Start Menu তে না থাকে!
প্রথমে বলে রাখি এটা আমার প্রথম টিউন। যদি কোথাও কোন ভূল থাকে তাহলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
আমি টেকটিউনস এর একজন নিয়মিত পাঠক। অনেক দিন ধরে ভাবছি টিউন করব। কিন্তু জ্ঞানের অভাব এবং অপারগতার কারণে আজ অবধি কোন টিউন করার ক্ষমতা হয়নি। আজ আল্লাহর অশেষ রহমতে ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে টিউন করতে চাই।
বিষয়টি অনেকের জানা থাকতে পারে। কিন্তু আমার মত অজ্ঞ যারা আছে তাদের জন্যই আমার এই টিউন। যাইহোক কাজের কথায় আসি-
যে কারণে ঘটে থাকে
সধারণত এটা ঘটে থাকে গ্রুপ পলিসি অথবা রেজিষ্ট্রি এর Restriction এর কারণে। এই সমস্যাই পড়লে নিম্নোক্ত পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুন।
রান কমান্ডের সাহায্যে REGEDIT.EXE টাইপ করুন এবং নিম্নের ঠিকানাগুলো অনুসরণ করুন
HKEY_CURRENT_USER \ Software \ Microsoft \ Windows \ CurrentVersion \ Policies \ Explorer
-এবং-
HKEY_LOCAL_MACHINE \ Software \ Microsoft \ Windows \ CurrentVersion \ Policies \ Explorer
- রাইট প্যান-এ ডাবলক্লিক করে NoClose ভেল্যুতে 0 সেট করুন।
- উইনডোজ রিস্ট্রাট দিন।
এক্স পি সেটাপ ??? ৪/৫ মিনিটে কমপ্লিট !!!
আমার কথা শুনে কি আপনারা আমাকে পাগল ভাবছেন ?? নিশ্চই ভাবছেন বলছেন অসম্ভব ! অসম্ভব !! অসম্ভব !!! আসলে সম্ভব কিন্তু একটু অন্য ভাবে। এটা কে আপনি ব্যাকআপ রিষ্টোর পদ্ধতি ও বলতে পারেন এই কাজটি করার জন্য আপনার যা প্রয়োজন :- ১. Ghost নামক একটি সফটওয়্যার (693 KB) ২. Boot Disk অথবা Windows 98 এর Bootable Disk মনে হয় এবার অনেকেই বুঝতে পারছেন।
অনেকেই হয়তো জানেন।যারা জানেন না তাদের জন্য
প্রথমে অবশ্য আপনাকে ব্যাকআপ রাখতে হবে আপনার Windows এর ব্যাকআপ রাখার পদ্ধতি :
১. 98 সিডি অথবা Boot Disk দিয়ে বুট করুন
২. যে ড্রাইভে Ghost আছে সেই ড্রাইভে যান (ধরি D ড্রইভে Ghost সফটওয়্যারটি আছে তাহলে যা করতে হবে D ড্রইভে যান)
৩. ghost.exe লিখে এন্টার দিন
৪. ghost ওপেন হবে।
৫. মেনু থেকে LocalàPartitionàTo Image দিন এবং ব্যাকআপ ফাইল টি যে কোন ড্রাইভে রাখুন। এবার এক্সপি যদি কখনো দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন 98 এর সিডি দিয়ে বুট করে Ghost ওপেন করুনGhost এর মেনু থেকে LocalàPartitionàFrom Image দিয়ে ব্যাকআপ ফাইল টি দিয়ে ব্যাকআপ দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার পিসিটি পুনরায় চালু করুন।
আপনি কি Windows XP ইনস্টল দিতে পারেন? যদি পারেন তবে Windows XP ইনস্টলের সময় কি করেন?
বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহিম
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা Windows XP ইনস্টল করতে পারেন। আর সকলেই জানেন যে, Windows XP উনস্টল হতে সাধারণত ৪০/৪৫ মিনিট সময় লাগে। এ জন্যই আমার এই প্রশ্ন যে, Windows XP ইনস্টলের সময় কি করেন? তবে আমি কিন্তু XP সেটাপের সময় পিনবল গেমটি খেলি। আপনিও ইচ্ছা করলে Xp সেটাপের সময় পিনবল গেমটি খেলতে। পারেন। যারা খেলতে চান তাদের জন্য আমার এই ছোট্ট টিউনটি। কাজে লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।
যেভাবে খেলবেন:
- পিনবল গেমটি সব সময় খেলা যায় না। এটি সাধারনত উইন্ডোজের প্রোডাক্ট কি দেওয়ার পরে ইনস্টল হয়ে থাকে ।
- এখন, কমান্ড প্রম্পট নিয়ে আসুন। কমান্ড প্রম্পট নিয়ে আসার জন্য Shift এবং F10 এক সাথে প্রেস করুন।
- cd \ টাইপ করে এন্টার করুন।
- cd “Program Files” লিখুন এবং এন্টার করুন।
- cd “Windows NT” এবং এন্টার করুন।
- cd Pinball লিখে এন্টার দিন।
- pinball.exe লিখে এন্টার দিন।
- কাজ শেষ এবার আপনি পিনবল খেলাটি শুরু করত পারেন।
হার্ড ডিক্স ড্রাইভের ড্রাইভ লেটার পরিবর্তন করুন কোনো সফটওয়্যার ব্যাবহার ছাড়াই
সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। দেশের জন্য যেসব বীর মুক্তিযুদ্ধারা জীবন দিয়েছেন তাদেরকে শ্রদ্ধা জানিয়েই আজকের টিউন শুরু করছি। আজকে যে বিষয় নিয়ে কথা বলব তা হয়তোবা শিরোনাম পড়েই বুঝতে পেরেছেন। হ্যা কিভাবে হার্ড ডিক্স ড্রাইভের ড্রাইভ লেটার পরিবর্তন করা যায় সে বিষয় নিয়েই কথা বলব।
// ড্রাইভ লেটার কী?
প্রথমেই আসি ড্রাইভ লেটার কী এই বিষয়ে। সাধারাণত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল Local Disk(C) অথবা System Disk(c) এই সব ড্রাইভে করা থাকে। লক্ষ করে দেখোন এখানে Local Disk ও System Disk এর কথা বলেছি। কিন্তু দুইবারি বলেছি C এর কথা। হ্যা এখানে C টা হল ড্রাইভ লেটার। আমার মতে ড্রাইভ লেটার কী তা সবারি জানা তাই এই বিষয়ে আর কোনো কথা বললাম না।
// কিভাবে পরিবর্তন করবেন?
আমরা সাধারণত রিনেম করে কোনো ফোল্ডার অথবা ফাইলের নাম পরিবর্তন করে তাকি। ঠিক তেমনি আপনার ড্রাইভের নাম পরিবর্তন করতে চেষ্টা করুন। দিখুন তো পারেন কি না? আমি নিশ্চিত যে আপনি তা করতে পারবেন না। এখন কী কোনো উপায় আছে। এবং এই প্রশ্নের উত্তর হল উপায় অবশ্যই আছে। আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে হয়ত বা এটা করতে পারেন। কিন্তু এখানেও জামেলা আছে। সফটওয়্যার ব্যবহার করে এটি করতে গেলে ড্রাইভ লেটার পরিবর্তনের পর কম্পিউটারকে রিস্টার্ট করতে হয়। এবং এই সময় যদি বিদ্যুৎ চলে যায় তাহলেই সব শেষ। তখন আপনি যে ড্রাইভের নামটি পরিবর্তন করতে চেয়েছেন হয়ত বা সেই ড্রাইভ টিকে আর খুজে পাবেন না। এর মানে “আমো গেল ছোলাও গেল”। এত সমস্যা ড্রাইভ লেটার পরিবর্তনে। এখন হয়তবা ভাববেন “দোত আর ড্রাভ লেটার পরিবর্তনি করব না।“ কিন্তু আমার কথা হল ভয় পাবেন কেন? সকল ভয় কে জয় করাই তো মানুষের কাজ। তো কিভাবে করবেন? হ্যা এর জন্য সম্পূর্ণ ঝুকি মুক্তভাবে কাজ করার জন্য উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে একটা প্রোগ্রাম আছে যা ব্যাবহার করে আপনি সহজেই ড্রাইভের নাম পরিবর্তন করতে পারেন। আর এই প্রোগ্রামটির নাম হল Disk Management ।
// কিভাবে কাজ করবেন?
নাম তো জানা হল এখন কিভাবে পাবেন এটাকে? এটি চালু করার জন্য অনেক উপায় আছে। আমি একটি উপায় বলে দিচ্ছ। প্রথমে মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করুন। এখন Manage এ ক্লিক করুন। তারপর Computer Management প্রোগ্রামটি আসবে। এবার Disk Management এ ক্লিক করুন। এখন কোনো ড্রাইভ লেটার পরিবর্তনের জন্য ঐ ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন এবং রাইট ক্লিক করুন। Change Drive Letter এ ক্লিক করুন। পরে ড্রাইভ লেটার পরিবর্তনের জন্য একটি ডায়লগ বক্স আসবে এটাতে Change নামে একটি বাটন রয়েছে ঐ বাটনে ক্লিক করুন। পরে যে ডায়লগ বক্স আসবে সেখান তেকে আপনার কঙ্কিত ড্রাইভ লেটারটি সিলেক্ট করুন এবং Ok বাটনে ক্লিক করুন। বেস আপনার ড্রাইভ লেটারটি পরিবর্তন হয়ে গেল। এই বিষয়টি বুঝতে কোনো সমস্যা হলে এই লিংকে একবার চোখ বুলাতে পারেন।
কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ সমন্ধে জেনে নিন।
সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। কম্পিউটার হ্যাং হয় নাই এমন লোক আছে বলে আমার মনে হয় না। আর যদি কেউ দাবি করে তার কম্পিউটার হ্যাং হয় নাই তাহলে আমার মতে হ্যাং কি তাই সে জানে না। আজকে আপনাদের কম্পিউটার হ্যাং হবার সাধারণ কয়েকটা কারণ সম্পর্কে জানাব। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন। আর কথা বাড়াব না। এখন আসল কথায় আসি।
হ্যাং বলতে কী বুঝায়?
আমরা প্রয়ই বলে তাকি কম্পিউটার হ্যাং ধরেছে। কিন্তু আসলে হ্যাং বলতে কী বুঝায়? কম্পিউটার যখন তার কাজের ফলাফল ঠিকমত প্রকাশ করে না বা তার কাজের ফলাফল অনেক সময় নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করে তখন কম্পিউটারের এই অবস্থা কে হ্যাং বলে। এটা আমার মতামত অনেকে ভিন্নতা পোষণ করতে পারেন। সকল কাজের পিছনেই একটা না একটা কারণ রয়েছে। ঠিক তেমনি কম্পিউটার হ্যাং হবার পিছনেও কারণ রয়েছে। আর সে কারণগুলোই এখন বলব।
কম্পিউটার হ্যাং হবার কারণ
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।
- কম্পিউটার র্যামের পরিমাণ কম হলেঃ- আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা সম্পন্ন হয় কম্পিউটার র্যাম অঞ্চলে। আর এই র্যামের পরিমাণ খম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।
- কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
- প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরো ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।
- অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ- এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা তাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
- অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ- অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
- কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ- সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়।
- অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ- হ্যা এটার কারণে সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার র্যাম এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটার র্যাম ফোল হয়ে যাবে।
- হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ- আপনার কম্পিউটার র্যাম যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে তাকে কেননা তখন র্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।
- হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ- কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণ কম র্যাম ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
- কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ- এই বিষয়ে আমি এই টিউনে বলেছিলাম। কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
- কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ- হ্যা আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে তাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।