Oct 4, 2010

কম্পিউটারে চালান .jar সফটওয়্যার

আপনার কম্পিউটারে যদি .jar softwer চালাতে চান তাহলে নিচের লিঙ্ক খেকে ডাউনলোড করুন। যেমন "অপেরা মিনি" এই চমৎকার ব্রাওজারটি অথবা যেকনো জাভা গেম আপনি আপনার পিসিতে চালাতে চাইতে পারেন। MidpX সফটওয়্যার টি আপনার জাভা কে exe হিসেবে চালাবে। নিচের লিঙ্কেই পাবেন MidpX:cool:

http://kwyshell.myweb.hinet.net/Downloa … /MidpX.exe

মেমোরি কার্ড কেনার আগে জেনে নিন

মেমোরি কার্ড বা ফ্ল্যাশ মেমোরি একটি সাধারণ দৃঢ় ইলেকট্রনিক ফ্ল্যাশ মেমোরি উপাত্ত সংগ্রাহক ডিভাইস যা ডিজিটাল ক্যামেরা, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, মিউজিক প্লেয়ার, ডিভিডি গেমস, টেলিফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের মেমোরি কার্ডের মধ্যে কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাশ, মেমোরি স্টিক, স্কিউয়ার ডিজিটাল এবং এক্সডি অন্যতম। এগুলো আকৃতিতে অনেক ছোট বা ক্ষুদ্র, অমসৃণ কিন্তু তথ্য ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি। বিভিন্ন ধরনের মেমোরি কার্ড বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।

নকল কার্ড হতে সাবধান
নকল মেমোরি কার্ড আসল মেমোরি কার্ডের মতো কাজ করে না। নকল মেমোরি কার্ডে ডাটা ট্রান্সফারে গতি অনেক কম থাকে এবং ধারণ ক্ষমতা উল্লেখিত ধারণ ক্ষমতা থেকে অনেক নিম্নমানের। দেখা গেছে, একটি ২ জিবি নকল মেমোরি কার্ড তার ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক ধারণ করতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মেমোরি কার্ড বাজারজাত করার সময় একটি করে ওয়ারেন্টি কার্ড থাকে। সুতরাং সেটাও দেখে নিতে পারেন।

কীভাবে চিনবেন নকল মেমোরি কার্ড?
প্যাকেজিং বা মোড়ক দেখে : বেশিরভাগ নকল মেমোরি কার্ড জীর্ণ বা পুরাতন বক্সে প্যাকেটজাত হয়ে থাকে। প্রসিদ্ধ ব্যান্ড যেমন সানডিস্ক এবং সনি তাদের প্যাকেটজাতকরণের সময় প্রকৃত হলোগ্রাম স্টিকার যুক্ত করে থাকে। অপরদিকে নকল মেমোরি কার্ডগুলো পুরাতন বক্সে কোন প্রকার হলোগ্রাম স্টিকার ছাড়া প্যাকেটজাত হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনো প্রকার প্যাকেট ছাড়া অনেক কম দামে এগুলো বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে।
লেবেল দেখে : ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলোর আসল মেমোরি কার্ডের অবশ্যই একটি সিরিয়াল নম্বর থাকে। প্রতারকরা অন্য পথ অনুসরণ করছে, তারা যে মেমোরি কার্ডগুলো বাজারে ছাড়ছে তাতে কোনো প্রকার সিরিয়াল নম্বর থাকে না। যদিও থাকে সেগুলো ভুলভাবে প্রিন্ট করা।
প্রেজেন্টেশন : প্রকৃত প্রস্তুতকারকদের মতো করে মেমোরি কার্ডের মধ্যে তারা প্রিন্ট করতে পারে না, এতে যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ থাকে সেগুলো অস্পষ্ট মনে হয়। সাইজ ও ডিজাইন অনুসারে মেমোরি কার্ডের এ মাধ্যমগুলো প্রকৃতভাবে বসে না, যা কাজে বাধা সৃষ্টি করে।

নকল কার্ডের সমস্যাগুলো
নকল মেমোরি কার্ডগুলো যদিও কাজ করে কিন্তু প্রকৃত কার্ডগুলো থেকে ভর গতি অনেক ধীর গতিসম্পন্ন। বিক্রেতারা অন্যভাবে অভিযোগ দাঁড় করায় যে, নকল মেমোরি কার্ডগুলোর কোন ওয়ারেন্টি নেই। নকল কার্ডে কোনো সিরিয়াল নম্বর থাকে না। সুতরাং কেনার সময় এগুলো দেখে নিলে ভালো করবেন।

নতুন বায়োসে এক সেকেন্ডেই চালু হবে কম্পিউটার

ডেস্কটপ কম্পিউটারের একটি পুরোনো সফটওয়্যার পরিবর্তন করা হচ্ছে। আর এর ফলে এখন যেকোনো কম্পিউার চালু হবে এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে। বায়োস নামের ওই সফটওয়্যারটি ৩১ বছরের পুরোনো। কম্পিউটার চালু করতে সাহায্য করে এটি।বায়োসের পরিবর্তে এখন থেকে ব্যবহার করা হবে ইউনিফায়েড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস—সংক্ষেপে ইউইএফআই নামের একটি সফটওয়্যার। ২০১১ সালের মধ্যে সব কম্পিউটারে এই নতুন সফটওয়্যার সংযোজন করা হবে।
ইউইএফআই ফোরামের প্রধান মার্ক ডোরান বলেন, ‘১৯৭৯ সাল থেকে বায়োস ব্যবহূত হয়ে আসছে। এখন সময় এসেছে পরিবর্তন করার। আর কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য পরিবর্তনটা খুবই জরুরি। নতুন সব প্রযুক্তি বাজারে চলে এসেছে। এ ক্ষেত্রেই বা আমরা কেন পিছিয়ে থাকব?’ এএমআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান বায়োস সফটওয়্যার তৈরি করেছিল।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ব্রায়ান রিচার্ডসন বলেন, ‘আমাদের তৈরি এই সফটওয়্যারটির অবদান কোনোভাবেই ভোলার নয়। এই সফটওয়ারই বলে দেয় কম্পিউটারে কী কী ইনস্টল করতে হবে। এ ছাড়া আরও অনেক কাজ করে সফটওয়্যারটি। তবে ইউইএফআইয়ের নির্মাতারা জানান, নতুন এই সফটওয়্যারটি অনেক বেশি সহজ এবং এটি সংযোজনের ফলে বাড়তি কোনো পয়সাও গুণতে হবে না গ্রাহকদের। —বিবিসি অবলম্বনে রোকেয়া রহমান

Oct 3, 2010

এক সফটওয়্যারে চলবে সকল ধরনের ফাইল

অফিস ফাইল চালাতে যেমন কম্পিউটারে অফিস ইনস্টল থাকতে হয় তেমনই মিডিয়া ফাইল চলাতে মিডিয়া প্লেয়ার থাকতে হয়। তবে যদি ইউনিভার্সেল ভিউয়ার থাকে তাহলে এসব কোন সফটওয়্যার ইনস্টল থাকার দরকার নেই। ইউনিভার্সেল ভিউয়ার দ্বারা প্রায় ইমজে ফাইল, মিডিয়া ফাইল, ইন্টারনেট রিলেটেড ফাইল, ওপেন অফিস, মাইক্রোসফট অফিস ইত্যাদি সকল ফাইল সমর্থন করে। এছাড়াও টেক্সট ফাইলগুলোকে প্লেন টেক্সটে রূপান্তর করা যায়। সফটওয়্যারটির ইনস্টলার এবং বহনযোগ্য সংস্করণ www.uvviewsoft.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

মোবাইলে শুনুন অনলাইন রেডিও

বর্তমানে বাংলা রেডিও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন বেশিরভাগ মোবাইলেই এফএম রেডিও যুক্ত থাকে। রেডিও মাধ্যম গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে এফএম ব্যান্ডের রেডিও। কিন্তু ঢাকাসহ কয়েকটি বিভাগীয় শহর ছাড়া এফএম রেডিও শোনা যায় না। রেডিও এর আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট রেডিও বা অনলাইন রেডিও। ইন্টারনেট থাকলে অনলাইন থেকে প্লেয়ারের মাধ্যমে বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন রেডিও শোনা যায়। কিন্তু বেশীরভাগ অনলাইন রেডিও মোবাইল ইন্টারনেট থেকে শোনার ব্যবস্থা নেই।
এসব বাধা পেরিয়ে রেডিও ঢাকা মোবাইলের জন্য প্লেয়ার (ডেমো সংস্করণ) অবমুক্ত করেছে। ফলে প্লেয়ারটি মোবাইলে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে খুব সহজে রেডিও শোনা যাবে। রেডিও ঢাকার ওয়েবসাইটের ঠিকানা হচ্ছে www.radiodhaka.net। রেডিও ঢাকাতে একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলের সংবাদ সরাসরি সমপ্রচার করা হয়।
এছাড়াও http://m.lemon24.com থেকে লেমন রেডিও প্লেয়ার মোবাইলে ইনস্টল করে লেমন রেডিও শুনতে পারবেন।

ছবি দ্বারা স্লাইডশো তৈরী

ছবি দ্বারা স্লাইডশো তৈরী করার বিভিন্ন সফটওয়্যার আছে। তবে খুব সহজেই ওয়েবসাইট থেকেও ছবির স্লাইডশো তৈরী করা যায়। স্লাইডশো তৈরী এমনই একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে ফ্রৌবি স্লাইডশো মেকার। স্লাইডশো তৈরী করতে প্রথমে www.frobee.com সাইটে ঢুকে Add Photos বাটনে ক্লিক করে ছবি আপলোড করতে হবে। ছবিগুলো একই সাইজের হলে ভাল হয়। ইচ্ছামত যতখুশি ছবি আপলোড করার পরে Photos অংশ থেকে ছবি ক্লিক করে উপরে Transition, Display এবং Position: ইচ্ছামত নির্বাচন করতে হবে তাহলে ছবিগুলোর স্লাইড উপরে প্রিভিউ দেখাবে। এক এক করে প্রতেকটা ছবির উপরে ক্লিক করে Transition নির্বাচন করতে হবে। চাইলে Photos অংশ থেকে ড্রাগ-ড্রপ করে ছবির ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করা যাবে। ছবির Size, Player, Captions পরিবর্তন করতে চাইলে Settings ক্লিক করে পরিবর্তন শেষে Apply বাটনে ক্লিক করলেই হবে। সর্বশেষে Save বাটনে ক্লিক করে জিপ ফাইল ডাউনলোড করতে হবে। এই জিপ ফাইল আনজিপ করলে SWF ফাইলসহ একটি HTML এর নমুনা ফাইল পাওয়া যাবে।

Oct 1, 2010

আপনার কম্পিউটারের সিডিউল দেখে বুঝুন কখন চালানো হয়েছে

আপনার কম্পিউটারের ব্যবহারকারী যদি একাধিক হয় তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন না কে কখন আপনার কম্পিউটার খুলছে বা বন্ধ করছে। কিন্তু আপনার জানা জরুরী কখন আপনার কম্পিউটার খুলেছে বা বন্ধ হয়েছে। এ সব তথ্য আপনার কম্পিউটার ঠিকই হিসাব করে রাখছে। SchedLgU.Txt নামের একটি টেক্টট ফাইলে এসব তথ্য আছে। সিস্টেম রুটে অর্থাৎ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে সে ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে ফাইলটি আছে সেখান থেকে বা স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে SchedLgU.Txt লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে। এবার ডকুমেন্টের ভিতরে [ ***** Most recent entry is above this line ***** ] লেখা লাইনের উপরে সর্বশেষ কখন কম্পিউটার খুলেছেন সেই সময় দেওয়া আছে। তার উপরে সর্বশেষ বন্ধ হবার সময় আছে। এই ভাবে ধারাবাহিকভাবে তথ্যগুলো আছে। ৩২ কিলোবাইটের এই ফাইলটিতে সর্বশেষ ১৩৫ বার কম্পিউটার খোলা ও বন্ধ করার তথ্য (সময় ও তারিখ) সংরক্ষিত থাকে। কম্পিউটার ১৩৫ বারের বেশী খোলা ও বন্ধ করলে উক্ত লাইন আবার প্রথম থেকে আসতে থাকবে অর্থাৎ পূর্বের তথ্যের উপর নতুন তথ্য প্রতিস্থাপন হবে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আপনি বা অন্যকেউ ইচ্ছা করে ফাইলটি মুছতে, প্রতিস্থাপন করতে বা এর কোন তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না।

স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরিবর্তন করুন আপনার কম্পিউটারের লগঅন স্ক্রিন।

কম্পিউটারের লগঅন স্ক্রিন দেখতে দেখতে আমরা যেন একটা বিরক্তি বোধ করি। একটু ভিন্ন কিছু হলে কেমন হয় এমন একটি সফটওয়ার আছে যেটার সাহায্যে আপনি আপনার ইচ্ছামত কম্পিউটারের লগঅন স্ক্রিন পরিবর্তন করতে পারবেন। সফটওয়ার টির নাম stardock Logon Studio ডাউনলোড করুন এই ঠিকানায় :-http://stardock.cachefly.net/LogonStudio_public.exe

সিস্টেম রিকয়ারমেন্টঃ
১. উইন্ডোজ সেভেন, ভিস্তা অথবা এক্সপি।
২. সর্বনিম্ন স্ক্রিন রেজুলেশন ১০২৪*৭৬৮।
৩. ১০ মেবা. ড্রাইভে ফাকা যায়গা।
৪. ৫১২ মেবা. RAM
৫. .NET ফ্রেমওয়ার্ক ২.০